ডেস্ক রিপোর্ট: বরগুনা পৌরসভার কালিবাড়ি করইতলা এলাকায় নিজ বসতবাড়ির পেছনের ঝোপ থেকে মন্টু চন্দ্র দাস (৩৫) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। মৃতের স্বজনদের দাবি, মামলা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মন্টুকে হত্যা করা হয়েছে।
মন্টু ওই এলাকার মৃত জগেশ্বর দাসের ছেলে। তিনি একটি দোকানে কাজ করতেন।
মৃতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, গতকাল রাতে স্ত্রীকে ফোনে দিয়ে মন্টু জানান, তার বাসায় ফিরতে দেরি হবে। এরপর থেকে তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। তার মোবাইলে ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করছিলেন না। এক পর্যায়ে মোবাইলের আওয়াজ শুনে বাড়ির পিছনে যান মন্টুর স্ত্রী শিখা রানী। এ সময় ঝোপের মধ্যে স্বামীর মরদেহ দেখে স্বজনদের জানান তিনি। পরে খবর দেওয়া ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
মন্টুর বোন কনক রানী বলেন, ‘গতকাল সন্ধ্যার দিকে মন্টুর সঙ্গে আমার ফোনে কথা হয়েছে। এ সময় তার দায়েরকৃত মামলায় অভিযুক্তরা মিলে যাওয়ার বিষয়ে বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করছে বলে জানায়। আমি মেয়েকে নিয়ে তাকে সাবধানে থাকতে বলি। পরে রাতে শুনি মন্টু মারা গেছে।’
এ বিষয়ে বরগুনা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল হালিম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, এটি হত্যাকাণ্ড। তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। ইতোমধ্যেই আমরা তদন্ত শুরু করেছি।’