সংসদীয় আসন-৯৭ (রামপাল মোংলা)
যাচাই-বাছাই শেষে বাগেরহাট-৩ আসনের সকল প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষনা
রামপাল প্রতিনিধি।।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের বাগেরহাট জেলায় মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রামপাল মোংলা নিয়ে গঠিত বাগেরহাট-৩ আসনের প্রার্থীদের সকল মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে ।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে শনিবার সকাল থেকে শুরু হয় এই মনোয়ন বাছাই প্রক্রিয়া ।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা গোলাম মোঃ বাতেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই যাচাই-বাছাই সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার হাসান চৌধুরী, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবু আনসারসহ মনোনয়নপত্র দাখিলকারী প্রার্থী ও তাদের নেতাকর্মীরা।
মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে বাগেরহাট ৩ সংসদীয় আসন থেকে মনোনয়ন দাখিলকারী মোট ০৭ জন প্রার্থীর কাগজপত্র পর্যালোচনা করে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সকল প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।
এই সাত প্রার্থী হলেন, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী এ্যাড. মাও. শেখ আব্দুল ওয়াদুদ, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, এনসিপির খুলনা বিভাগের একমাত্র প্রার্থী মোল্যা রহমাতুল্লা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ জিল্লুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোঃ জুলফিকার হোসেন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি’র মোঃ হাবিবুর রহমান মাষ্টার। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন বৈধ হওয়ায় চমক দেখিয়েছেন বাগেরহাট ২ আসনের সাবেক এমপি এবং বিএনপির সাবেক জেলা সভাপতি এম, এ, এইচ, সেলিম । তিনি একই সাথে বাগেরহাট ১ এবং ২ আসন থেকেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বৈধতা পেয়েছেন।
তবে বাগেরহাট জেলার ৪টি আসনে মোট ৩২ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন, তার মধ্যে ৫ জনের মনোনয়ন বাতিল হয় ।
এসম্পর্কে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা গোলাম মোঃ বাতেন বলেন, বাগেরহাট জেলার চারটি সংসদীয় আসন থেকে মোট ৩২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন।
যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশনের আইন ও বিধিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। ঋণ খেলাপি হওয়া এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ভোটের তথ্যের গড়মিল থাকায় পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাতিলকৃত মনোনয়ন প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশনে ৫ তারিখ থেকে আপিল করতে পারবেন ।







