বিএনপি নেতা তরিকুল ইসলাম ও সাদেক হোসেন খোকার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া
দুই নেতার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াই এর শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে-মনি
নিজস্ব প্রতিবেদক-
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলাম ছিলেন একাধারে রাজনৈতিক নেতা ও উন্নয়নকর্মী। ১৯৬৩ সালে সর্বক্ষেত্রে রাষ্ট্রভাষা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। ১৯৯১ সাল থেকে তিনি পর্যায়ক্রমে সমাজকল্যাণ ও মহিলাবিষয়ক মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ, খাদ্য, তথ্য, বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে এবং বিভিন্ন শ্রেণিপেশার অধিকার আদায়ের সংগ্রামে তরিকুল ইসলামের অবদান অবিস্মরণীয়।
ঢাকা মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক, সাবেক মন্ত্রী ও অবিভক্ত ঢাকার সবশেষ মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকা ১৯৬৯ এর গণ-অভ্যুত্থানের সময় মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলনে তরুন-যুবকদের মধ্যে ছিলেন অগ্রভাগে। ১৯৭৭ সালে বিপুল ভোটে ঢাকা পৌরসভার কমিশনার নির্বাচিত হন তিনি। নব্বইয়ের দশকে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে প্রথম সারিতে ছিলেন সাদেক হোসেন খোকা। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করা এই নেতা ছিলেন কর্মী অন্তপ্রাণ। সুখে-দুঃখে নেতা-কর্মীদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন সবার আগে। বাংলার এই বীরকে ভৌগলিক সীমানার বাইরে যুক্তরাষ্ট্রে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করতে হয় ২০১৯ সালের এই দিনে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শক্তির কিংবদন্তী এই দুই নেতার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াই এবং সমাজসেবার শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে আমাদের সকলকে এগিয়ে যেতে হবে।
মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় নগরীর কেডিএ এভিনিউস্থ তেঁতুলতলা মোড়ে সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপির কার্যালয়ে খুলনা বিএনপি আয়োজিত গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং প্রগতিশীল রাজনীতির বলিষ্ট নেতা, দক্ষিনবঙ্গের সিংহপুরুষ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মরহুম তরিকুল ইসলামের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী এবং ঢাকা মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক, বিএনরি ভাইস চেয়ারম্যান, অবিভক্ত ঢাকার সবশেষ মেয়র ও সাবেক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকার ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সম্মানিত সদস্য ও কেসিসির সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি। তিনি আগামী ত্রোয়দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীর্ষ প্রতীকের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহবান জানান। অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন আলহাজ¦ মীর মোহাম্মদ বাচ্চু।
খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক সহসভাপতি শেখ মোশাররফ হোসেন এর সভাপতিত্বে এবং আসাদুজ্জামান মুরাদ এর পরিচালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, ইকবাল হোসেন খোকন, মেহেদী হাসান দিপু, এড. গোলাম মওলা,
আনোয়ার হোসেন, মো. শাহজাহান, ইউসুফ হারুন মজনু, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, ইশহাক তালুকদার, আকরাম হোসেন খোকন, মেজবাহ উদ্দিন মিজু, রবিউল ইসলাম রবি, বাচ্চু মীর, আব্দুল জব্বার, মহিউদ্দিন টারজান, জাহিদ কামাল টিটো, ওমর ফারুক, আসলাম হোসেন, আব্দুল মতিন, মাহবুব হোসেন, আনিসুর রহমান আরজু, নাসির খান, মোস্তফা কামাল, মনিরুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম বাবু, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, মোহাম্মদ আলী, লিটু পাটোয়ারী, মোল্লা ফিরোজ আহমেদ, ইকবাল হোসেন, মিজানুজ্জামান তাজ,
নাহিদ মোড়ল, জাকারিয়া লিটন, আলম হাওলাদার, মাসুদ খান বাদল, হেদায়েত হোসেন হেদু, সুলতান সালাউদ্দিন সুমন, মুজিবর রহমান, জামাল মোড়ল, আবুল বাসার, এড. আব্দুস সোবহান,
শামীম আশরাফ, শরিফুল ইসলাম সাগর, নুরুল ইসলাম লিটন, ওহাব শরীফ, এস কে মাহমুদ, মাহমুদ হাসান মুন্না, হুমায়ুন কবির, মাজেদা খাতুন, ওহিদুজ্জামান, রাজিবুল আলম বাপ্পি, আব্দুর রহিম, আমিনুল ইসলাম বুলবুল, সাখাওয়াত হোসেন, আবু তাহের, ওহিদুজ্জামান, অহিদুর রহমান বাবু, এ আর রহমান, সেলিম বড় মিয়া, কামরুজ্জামান সিরাজ, সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, এম এ সালাম, মহিউদ্দিন মঈন, মাসুদ রেজা, খান আবু দাউদ, আসমত হোসেন, পারভেজ মোড়ল, শামসুল আলম বাদল, জুয়েল রহমান, আব্দুল্লাহ আল মামুন, ঈশা শেখ, আলমগীর হোসেন, ইউনুচ শেখ, আসাদ সানা, শহিদুল ইসলাম বাবু, রাজিব তালুকদার, সাজ্জাদ আলী, মারুফুর রহমান, ওসমান গনি, হারুন হেলাল, সাইফুল ইসলাম, সিদ্দিক মাতবর, কালাম গাজী, হাফিজুর রহমান টুটুল, আব্দুল আজিজ ডাবলু, আবুল কাশেম, আল আমিন মৃধা, রুহুল আমিন রাসেল, শফিউদ্দিন, মো. মহসীন প্রমুখ।







